Showing posts with label দেশি মুরগি পালন. Show all posts
Showing posts with label দেশি মুরগি পালন. Show all posts

Monday, September 13, 2021

দেশি মুরগি ডিম না দেওয়ার কারণ কি?

আসসালামু আলাইকুম আশাকরি ভালো আছেন। টাইটেল দেখেই বুঝে গেছেন আজকে কি বিষয়ের উপরে এই লেখাটি। দেশি মুরগি পালন একটি লাভজনক ব্যবসা। অল্প পুজিতে এই ব্যবসা শুরু করা যায়। দেশি মুরগি ছেড়ে দিয়ে পালন করলে লাভ বেশি হয় কেননা এতে খাবার খরচ করা লাগে। তো দেরি না করে চলুন শুরু করি। দেখুন আসলে দেশি মুরগির ডিম না দেওয়ার পিছনে মূলত দুইটি কারণ রয়েছে।

প্রথম যে কারণ সেটি হল যদি মুরগিকে আপনি সঠিক পরিমাণ খাবার না দেন তাহলে মুরগি সঠিকভাবে ডিম দেবে না এটাই স্বাভাবিক। খাবারের মধ্যে আবার তারতম্য রয়েছে যেমনঃ আপনি একই জাতীয় খাবার প্রত্যেক বেলা বা প্রত্যহ দিতে থাকেন, তাহলে এতে করে শরীরে যে পরিমাণ ভিটামিন ও পুষ্টি গুনাগুন দরকার ডিম উৎপাদনের জন্য সেটি যদি না থাকে তাহলে মুরগি কিন্তু ডিম দিবে না ডিম দিতে কিন্তু অনেকটাই দেরি করবে। আমরা জানি সাধারণত মুরগি ছয় মাস বয়স থেকে শুরু করে ডিম দিতে কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় ৭-৮ মাস লেগে যায়। তবে যাইহোক কিছু মুরগি রয়েছে যারা একেবারেই ডিম দেয় না।

তো আমি যে বিষয়টি আপনাদের সাথে আলোচনা করতে চাচ্ছি বা বুঝাতে চাচ্ছি সেটি হচ্ছে যে যদি, আপনি সঠিকভাবে সঠিক নিয়মে মুরগিকে খাবার দিতে পারেন তাহলে মুরগি অবশ্যই অবশ্যই সঠিক ভাবে বা নিয়মিত ডিম দিবে এটা গ্যারান্টি তবে খাবার কি কি দিতে হবে এটি আপনাকে আগে জানতে হবে। যদি সঠিকভাবে খাবার দিতে পারেন তাহলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। তার আগে বলি যে আরেকটি কারণ কি দেশি মুরগি ডিম একেবারেই না দেওয়ার ক্ষেত্রে। সেটি হচ্ছে যে যখন আপনি প্রচুর পরিমাণ খাবার দিচ্ছেন অনেক সময় দেখা যায় মুরগি খাবারের কারণে মুরগির পেটে চর্বির আস্তরণ পড়ে যায় অনেক চর্বি হওয়ার কারণে মুরগির পেটের ভিতর অনেক সময় ভেঙে যেতে পারে যে কারণে মুরগি মারা যায়।

দেখা যায় যে ডিম দেওয়ার আগেই অনেক মুরগি এই সমস্যায় আক্রান্ত হয় এবং মারাও যায় সে ক্ষেত্রে কিন্তু আপনি ডিমটা পাবেন না। আরেক ধরনের মুরগি রয়েছে সেটি হচ্ছে যে বাজা বা বান্জা মুরগি। আপনি সত্যিই পড়েছে বাজা মুরগি। যেমন অন্যান্য প্রাণীদের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে অনেক ফিমেল বা মহিলা প্রাণীরাও কিন্তু বাচ্চা প্রসব করে না। মুরগির ভেতরেও অনেক মুরগি রয়েছে সেগুলো কখনোই ডিম দেবে না। এটি আপনাকে বুঝতে হবে যদি আপনি দেখেন কোন মুরগি ৮ মাস পার হলেও ডিম দিচ্ছে না তাহলে আপনি বুঝে নেবেন এই মুরগিটি ভবিষ্যতে আর কখনো ডিম দিবে ও না|।

কেননা এটি একটি বাজা মুরগি যাইহোক আমি আপনাকে একটি বিষয় জানাতে চাই সেটি হচ্ছে কোন জাতীয় খাবার দিলে মুরগি বেশি ডিম দিবে। আমি প্রথমেই বলব বাজারে কবুতরের মিক্সার নামে এক ধরনের খাবার পাওয়া যায় এই খাবারটি সাধারণত বিভিন্ন উপাদানে তৈরি হয়। এর ভিতর সাত বা আট ধরনের খাবারের উপাদান বিদ্যমান থাকে। এর মধ্যে রয়েছে ধান, ভুট্টা ভাঙ্গা, মসুর ডাল, সবুজ মটর, আকরা, ‍ছয়াবিন, সরিষা ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের উপাদান বিদ্যমান থাকে যা মুরগির ডিম উৎপাদনের ক্ষেত্রে খুবই কার্যকর ভূমিকা রাখে বিশেষ করে ডিম উৎপাদন করার জন্য একটি মুরগির যে ভিটামিন বা পুষ্টি দরকার তা এই খাবারগুলোর মধ্যে বিদ্যমান থাকে।

যদি আপনি ৫ মাস বা তার অধিক বয়সের কোনো মুরগিকে খাবার খাওয়ান তাহলে অবশ্যই অবশ্যই একটি করে ডিম আপনাকে দিবে এটি নিশ্চিত থাকতে পারেন যদি অন্য কোনো রোগ না থেকে থাকে। এছাড়াও এর পাশাপাশি আপনি চাইলে ভাত, গমের ভুসি, চাল, সবুজ শাক ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের খাবার গুলো খুব সহজ মুরগিকে খাওয়াতে পারেন এতেও মুরগির শরীরে পুষ্টি গুনাগুন অনেকটাই বেড়ে যায় এবং ডিম দিতে সহায়তা করে

পাঠক যদি ই লেখাটুকু আপনি ভিডিও আকারে দেখতে চান তাহলে আমার ইউটিউব চ্যানেল (মা দেশি মুরগি খামার) থেকে ঘুরে আসতে পারেন সেখানে উদহরণ সহকারে দেখানো হয়েছ|।

আরও কিছু জানার থাকলে আমাদের সাথে ফেসবুক, ইন্সটাগ্রামে যোগাযোগ করতে পারেন। ধন্যবাদ লেখাটি পড়ার জন্য



Thursday, May 14, 2020

দেশি মুরগির সবুজ খাদ্য

আজ আমি আপনাদের সাথে দেশি মুরগির সবুজ খাদ্য নিয়ে আলোচনা করব। দেশি মুরগির চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই খামারির সংখ্যা ও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগে দেশি মুরগি শুধু বাড়িতে পালন করা হত পারিবারিক পুষ্টির চাহিদা মেটানোর জন্য কিন্ত চাহিদা বৃদ্ধি হওয়ায় সাথে সাথে দেশি মুরগি বানিজ্যিকভাবে খামারে পালন করা হচ্ছে।

দেশি মুরগির খাদ্যাভাস অন্য জাতের মুরগির থেকে আলাদা। তাই এদেরকে যে কোন ধরনের খাবার-ই দেওয়া যায়। যেমন, ভাত, ছোট মাছ, গমের ভুষি, চাউলসহ মানুষের খাবারের উচ্ছিস্ট। তবে যারা খামারে বা আবদ্ধভাবে দেশি মুরগি পালন করেন তারা এই সবুজ খাদ্য মুরগিকে দিতে পারেন। এই সবুজ খাদ্য খামারে দেশি মুরগির খাবারের খরচ কমায় আবার মুরগির পুষ্টি চাহিদা ও পূরণ করে। তবে এই সবুজ খাদ্য প্রদানের কিছু নিয়ম কানুন রয়েছে। যা অনুসরণ না করলে ফলাফল খুব খারাপ হতে পারে।

সবুজ খাদ্যগুলি হলঃ

পুইশাক, কলমি শাক, হেঞ্চা শাকসহ বিভিন্ন ধরনের সবুজ শাক। এই জাতীয় শাকে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন, ক্যালসিয়ামসহ বিভিন্ন ধরনের উপাদান রয়েছে। যা দেশি মুরগির দেহের ভিটামিন ও ক্যালসিয়ামসহ বিভিন্ন ঘাটতি পূরণে সহসয়তা করে। কেননা মানুষ ব্যাতিত অন্য সকল প্রাণী জানে যে তার শরীরে কিসের অভাব রয়েছে। আর ছেড়ে দিয়ে দেশি মুরগি পালন করলে এগুলো মাঠ-ঘাট থেকে খেয়ে থাকে। যার ফলে দেশি মুরগির রোগ বালাই কম হয়।       
কখন সরবরাহ করবেন?

লোকে বলে ছোটবেলা থেকে বাচ্চাদের যে অভ্যাস শিক্ষা দেওয়া হয় বড় হয়েও সে অনুযায়ী চলাফেরা করে। ঠিক তেমনি বাচ্চার বয়স ৭ দিন হওয়ার পর থেকে শাকগুলো মুষ্টি আকারে বেঁধে ঝুলে দিতে হবে খামারে। যাতে মুরগি ছিড়ে খেতে পারে। অথবা কুচি কুচি করে কেটে ভাত এবং গমের ভূষীর সাথে একটু পানি দিয়ে মেখে দিতে হবে। পানি না দিলে শাক ভাত, ভূষীর সাথে মিশবে না আর মুরগি খেতেও চাইবেনা। পানির পরিমাণ এত বেশি যেন না হয় যে ভাত, ভূষী  আর শাক আলাদা না হয়। বরং পানির পরিমাণ এতটা হওয়া উচিৎ যেন মাখ মাখ হয়। শাক ভাত এবং ভূষী একে অপররের সাথে লেগে থাকে।

যদি এতটুকু উপকারে আসে এই পোস্ট তাহলে আমার পেজটি লাইক দিয়ে ফলো করুন। আর শেয়ার করে রেখে দিন নিজের টাইমলাইনে।

Friday, October 18, 2019

দেশি মুরগি পালন। একটি লাভজনক পশু পালন পদ্ধতি অল্প সময়ে অধিক লাভবান হওয়ার এটি একটি অন্যতম ব্যবসা। দেশি মুরগিকে দুপুরে কি খাওয়াবেন তা এই ভিডিওটি দেখলেই খুব সহজেই বুঝতে পারবেন।

ভিডিওটি দেখতে এই লিংকে ক্লিক করুন..
https://youtu.be/GRdUOfN8x1w